Full width home advertisement

বাছাই খবর

প্রযুক্তি পরামর্শ

অ্যাপস

Post Page Advertisement [Top]

যে কারণে মুস্তাফিজ নয়, শেষ ওভার করলেন মাহমুদউল্লাহ

যে কারণে মুস্তাফিজ নয়, শেষ ওভার করলেন মাহমুদউল্লাহ
চলমান এশিয়া কাপেই সুপার ফোরের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে শেষ ওভারের রোমাঞ্চে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। ৬ বলে আফগানদের প্রয়োজন ছিল ৮ রানের। মুস্তাফিজুর রহমানের করা শেষ ওভারে আফগানরা নিতে পেরেছিল ৪ রান, হারিয়েছিল ১ উইকেট। বাংলাদেশ পেয়েছিল ৩ রানের রোমাঞ্চকর এক জয়। এশিয়া কাপের ফাইনালেও খেলা গড়ায় শেষ ওভারে।
এদিন ভারতের প্রয়োজন ছিল ৬ বলে ৬ রানের। কিন্তু ৪৯তম ওভারটি মুস্তাফিজুর রহমানকে দিয়ে করিয়ে তার ১০ ওভারের কোটা শেষ করে ফেলেছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ১০ ওভারের কোটা শেষ হয়ে গিয়েছিল মাশরাফি, রুবেল হোসেন, নাজমুল ইসলাম অপুরও। শেষ ওভারে তাই মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। কিন্তু এবার আর ভাগ্য পাশে ছিল না বাংলাদেশের।
কেদার যাদভ-কুলদ্বীপ যাদভের ব্যাটে শেষ বলে ৩ উইকেটের জয় তুলে নেয় ভারত। আরও একটি ফাইনাল দুঃখগাথা হয়ে রইল বাংলাদেশের জন্য। ম্যাচ শেষে ৫০তম ওভারটি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে দিয়ে করানোর ব্যাখ্যা দিয়েছেন মাশরাফি। পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘আমি আসলে আলোচনা করেছিলাম। ভারত যেভাবে রান করছিল, তাতে মুস্তাফিজকে ৪৯তম ওভারে বোলিংয়ে আনা ছাড়া উপায় ছিল না। রান আটকানোটা তখন গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’
শেষ ২ ওভারে ভারতের প্রয়োজন ছিল ১১ রানের। ১ ওভারেই খেলা শেষ হয়ে যেতে পারে। মাশরাফি তাই ৪৯তম ওভারটা করতেই বল তুলে দিয়েছিলেন মুস্তাফিজের হাতে। কাটার মাস্টার অবশ্য নিরাশ করেননি। ৩ রান দিয়ে উইকেটও নিয়েছেন ১টি। তাতে শেষ ওভার পর্যন্ত খেলাটা বেঁচে থাকল। এমনকি সেই খেলা গড়ায় শেষ বল পর্যন্তও। মাশরাফি-রুবেল-অপুর ১০ ওভারের কোটা শেষ হলেও বাকি ছিল মিরাজের ওভার। কিন্তু শুরুতে বল করা মিরাজ ৪ ওভারেই দেন ২৭ রান। তাই শেষ ওভারে মিরাজকে আনতে সাহস পাননি বাংলাদেশ অধিনায়ক।
শুধু মিরাজই নন, বাংলাদেশি স্পিনাররা এদিনই হতাশ করেছেন, সংবাদ সম্মেলনে সেই হতাশা ফুটে উঠল মাশরাফির কণ্ঠেও। এ নিয়ে মাশরাফির ভাষ্য, ‘ওদের যখন সাড়ে ৫ রান করে লাগে, তখন আমি মিরাজকে এনেছি। রিয়াদকে এনেছি। তখন কেউ যদি দুইটা ওভারও ভালো বোলিং করে দিত, তাহলে খুব ভালো হতো। একজন স্পিনার ভালো করলেও ৪৬ নম্বর ওভার থেকে আমি রুবেল ও মোস্তাফিজকে শেষ পর্যন্ত বোলিং করাতে পারতাম। তাহলে হয়তো ভারতের কাজটা অনেক কঠিন হতো। কারণ ওদের বোলিংয়ে অনেক ভ্যারিয়েশন আছে।’
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের একাধিক ম্যাচেই শেষ ওভারে বীরত্ব দেখিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। সেই কথা মাথায় রেখেই সৌম্য সরকারকে আনার কথা ভেবেও মাহমুদউল্লাহর হাতে বল তুলে দেন মাশরাফি। ওই সময় মাহমুদউল্লাহকে কী বলেছিলেন তিনি? মাশরাফি বলেন, ‘রিয়াদকে বলছিলাম, ওরা মারতে যাবে। মারতে গেলে মিস হিট হতে পারে। বিশেষ করে কুলদীপ মারার চেষ্টা করবে। যাদব যেহেতু ব্যাটসম্যান, ও হয়তো তা করবে না। পঞ্চম বলটাই কিন্তু কুলদীপের ব্যাটে ইনসাইড এজ হয়েছিল। আসলে এ রকম পরিস্থিতিতে একটু ভাগ্যেরও সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে।’
খেলা গড়িয়েছিল শেষ বল পর্যন্তও। শেষ বলে রান না হলে ম্যাচ গড়াত সুপার ওভারে। কিন্তু ভাগ্য সহায় ছিল না। লেগ বাইয়ের বদৌলতে রান পেয়ে যায় ভারত। মাশরাফির মতে, রিয়াদ ভালো বলই করেছে। এ নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়কের ভাষ্য, ‘ওই বলটা হয় ডট হতে হতো অথবা আউট। ও ইয়র্কারই করেছিল। কিন্তু বলটা প্যাডে পড়ে গেল। রিয়াদ ভালো করেছে। ওই অবস্থায়, মানে ৬ বলে ৬ রান লাগে, এই অবস্থায় ও ভালো ফাইট করেছে।’

No comments:

Post a Comment

Bottom Ad [Post Page]