Full width home advertisement

বাছাই খবর

প্রযুক্তি পরামর্শ

অ্যাপস

Post Page Advertisement [Top]

রহস্যময় যে আলোগুলোর উৎপত্তি জানেন না বিজ্ঞানীরাও!

রহস্যময় যে আলোগুলোর উৎপত্তি জানেন না বিজ্ঞানীরাও!
আলো তো কত রকমের হয়। কিন্তু তাই বলে রহস্যময় আলো? চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু রহস্যময় আলো সম্পর্কে যেগুলোর উৎস এখনো জানতে পারেনি কেউ!
হেসডালেন লাইটস- 
নরওয়ের হেসডালেন উপত্যকার এই অস্বাভাবিক আলোর উৎপত্তি কোথায় তা নিয়ে আছে নানা মতবাদ। সবসময় যে আকাশে এমন আলো দেখা যায় তা না। তবে মাঝে মাঝেই হুট করে উজ্জ্বল আলো জ্বলে ওঠে আর সবাইকে অবাক করে দেয়। 
ইউএফও নর্জ এবং আরো অনেক সংস্থা উদ্যোগ নিয়েছে এই আলোর রহস্য বের করার। ২০০৭ সালে উন্নতমানের ক্যামেরা আর ইন্টেন্সিটি প্লট নিয়ে হাজির হন এক সাংবাদিক এই আলোর রহস্য বের করতে। সঠিক কারণ তাও জানা যায়নি। 
তবে হ্যাঁ, অনেকে এই আলোকে গ্যাস এবং ধুলোর মিশ্রণ বলে মনে করেন। এই দুটো জিনিস এক হলেই আলো জ্বলে ওঠে- এমনটাই মনে করেন তারা।
মারফা ঘোস্ট লাইট- 
টেক্সাসের মারফাতে দেখতে পাওয়া এই অদ্ভুত আলোগুলো ঠিক কোথা থেকে আসে সেটা এখনো পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি। তবে কোনো ক্ষতি না করায় ব্যাপারটির সাথে সহজ হয়ে গেছেন আশেপাশের বাসিন্দারা। অনেকে ভাবেন পাশের রাস্তার গাড়ির আলো বা ক্যাম্পিং ফায়ার থেকে এই আলো আসে। তবে এই যুক্তির পেছনে কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। 
দিন এবং রাত- সবসময়েই এই আলো দেখতে পাওয়া যায়। অনেকে অবশ্য মারফার তাপমাত্রাকে এই আলোর পেছনে থাকা কারণ বলে মনে করেন। 
ওজার্ক স্পুক লাইট- 
এই আলোর বাসস্থান ওকলাহোমা। তবে পূর্বদিক দিয়ে বেশি ভালো দেখতে পাওয়া যায় আলোটিকে। আর পূর্বদিকে মিসৌরির হর্নেট থাকায় একে হর্নেট স্পুক লাইট নামেও ডাকা হয়। 
মারফা ঘোস্ট লাইটের মতোই এই আলোটি আশেপাশের বিলবোর্ড, গাড়ি ইত্যাদির কারণে হচ্ছে বলে মনে করা হয়। তবে অনেকের মতে, এটি অন্য এক আলো। কেউ একজন কাউকে খুঁজছে। এই আলো সেটারই নিদর্শন। বছরের পর বছর ধরে এই আলো দেখা যায় স্থানটিতে। 
ব্রাউন মাউন্টেইন লাইট-
এই আলো যে দেখা যায় শুধু তাই নয়, আলোটিকে দেখার বেশ কয়েকটি অবস্থানও আছে। উত্তর ক্যারোলিনার কয়েকটি দিক থেকে আলাদা আলাদাভাবে এই আলোকে দেখতে পাওয়া যায়। প্রথমে পাশের রাস্তায় চলা গাড়ির হেডলাইট থেকে আলোটি এসেছে বলে মনে করা হলেও পরবর্তীতে সেই ধারণা ভুল বলে প্রমাণিত হয়। 
সেবার ওই এলাকায় বন্যা হওয়ায় গাড়ি চলাচল বন্ধ ছিল। মজার ব্যাপার হল, তখনও এই আলো সেখানে দেখা যায়। পরবর্তীতে দুইটি ধারণা তৈরি হয়। প্রথমটি ছিল যে, একজন নারী তার স্বামীকে খুঁজতে ব্রাউন পাহাড়ের পাশে অবস্থিত গাছের নীচে দাঁড়িয়ে আলো নাড়াতো একটা সময়। সে এখনো একই কাজ করে যাচ্ছে। আর অন্যপক্ষের মতে, পাহাড় নিজের মধ্য থেকেই আলোর বিচ্ছুরণ করছে। সেই আলো দেখা যাচ্ছে আকাশে। 
তবে পরবর্তীতে কিছুটা হলেও সত্যির কাছাকাছি যাওয়া গেছে। আলোটি দেখা শুরু হয়েছে এই এলাকায় বিদ্যুৎ আসার পর থেকে। তাই বিভিন্ন বাড়ির আলো থেকেই পাহারের উপরে ওই আলো তৈরি হয়েছে বলে ভাবেন অনেকে। 
কোনো মানুষ যদি নিজের বাড়ির আলোর সামনে চলে আসেন তাহলে পাহাড়ের আলোও বন্ধ হয়ে যায়। এটা খুব সহজ একটি যুক্তি। আর একটু কম কঠিন। আসলে কারণ জানা যায়নি এখনো।
ফাতা মরগানা-
সাধারণত সমুদ্রের পানির ওপরে দেখতে পাওয়া যায় এই আলো। অনেক সময় সমুদ্রের পাশে মাটির উপরেও ফাতা মরগানা দেখা যায়। অনেকে এই আলোকে ডাচম্যানদের জাহাজের সাথে কোনোভাবে সম্পৃক্ত বলে মনে করেন। 
পৃথিবীর অনেক রহস্যের মতোই এই আলোর রহস্যগুলোও রয়ে গেছে বিজ্ঞানীদের ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবে হ্যাঁ, কোনো একদিন এই আলোর পেছনে থাকা অন্ধকার দূর হবে এমনটা আশা করাই যায়!
সূত্র : লিস্টভার্স

No comments:

Post a Comment

Bottom Ad [Post Page]