Full width home advertisement

বাছাই খবর

প্রযুক্তি পরামর্শ

অ্যাপস

Post Page Advertisement [Top]

এক যুগ পরপর ফোটে ভালোবাসার ফুল

এক যুগ পরপর ফোটে ভালোবাসার ফুল
ফুলের সুভাস নিতে কে না চায়? ফুলের সৌন্দর্যে সবাই মোহিত। এটি যে ভালোবাসার প্রতীক। কিন্তু জানেন কি ফুল নিয়ে অদ্ভূত সব কাণ্ডও রয়েছে।
এমন একটি ফুল আছে যেটি প্রতি ১২ বছর পরপর ফোটে। কোনো কোনো প্রজাতি পরিস্ফুটিত হতে ১৬ বছর সময়ও লেগে যায়। ফুলটির নাম নীলকুরিঞ্জি, সংক্ষেপে কুরিঞ্জি। এটি নীলরঙা। এই অদ্ভূত ফুলটি ফোটে ভারতের পশ্চিমঘাট পর্বতমালায়। ওই পর্বতমালাটিকে নীলকুরিঞ্জির রাজ্যও বলা যায়।
কেরালার রাজ্যের যে এলাকায় ভালোবাসার ফুলের দেখা মিলবে তার নাম মুন্নার। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১ হাজার ৬০০ মিটার উঁচুতে ওয়েস্টার্ন ঘাট পর্বতমালায় অবস্থিত মুন্নার এলাকাটি, যা চা, কফি ও মসলার চাষের জন্য বিখ্যাত।
নীলাকুরিঞ্জি অর্থ হচ্ছে ‘নীল ফুল’। ২০০৬ সালে শেষবারের মত ফুটেছিল ফুলটি। এরপর ১২ বছর পেরিয়ে গেছে। এই হিসেবে এবছরই ফুটবে ভালোবাসার নীলফুল। এর আগে ১৯৯৪, ১৯৮২, ১৯৭০, ১৯৫৮, ১৯৪৬, ১৯৩৪, ১৯২২, ১৯১০ ও ১৮৯৮ সালে ফুটেছিল এ ফুল। অর্থাৎ গত ১শ ২০ বছরে মোট ৯ বার ফুটেছে কুরিঞ্জি। এবার নিয়ে হবে ১০ বার।
তবে কিছু কিছু কুরিঞ্জি জাতের ফুল ৭ বছরে একবার ফোটে। মরে যাওয়া গাছের বীজ থেকে ফুটে ওঠে ফুল। পাহাড়ি এলাকায় এভাবেই চলে ওদের জীবন মৃত্যুর চক্র। তামিল নাড়ু রাজ্যের পালিয়ান উপজাতির লোকজন নিজেদের বয়স গণনায় এই ফুলের উদাহরণ দিয়ে থাকে।
কুরিঞ্জি ফুলগাছ সাধারণতঃ ৩০-৬০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত উঁচু হয়ে থাকে। এর প্রায় আড়াইশটি জাত রয়েছে। এদের মধ্যে ভারতে দেখা মেলে ৪৬টি।
এ ফুল দেখতেও কিন্তু দারুণ। গোটা পাহাড়ি এলাকা ছেয়ে যায় নীলে নীলে। মনে হয় যেন নীল চাঁদোয়ায় ঢেকে আছে পাহাড়। যেন নীল আকাশের নিচে আরেক আকাশ।
ভালোবাসর ফুল বলেই হয়ত একে নিয়ে রচিত হয়েছে অনেক কবিতা, গল্প। ক্লাসিক তামিল সাহিত্যে এই ফুলের দারুণ সব বর্ণনা রয়েছে। তবে এই ফুলের ওপর বিখ্যাত প্রেমের উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছে ১৯ শতকের ৪০ দশকে। লেখক ক্লারে ফ্লাইনের লেখা বিয়োগান্তক এই উপন্যাসের নামই ছিল ‘কুরঞ্জি ফ্লাওয়ার্স’। সূত্র: বিবিসি

No comments:

Post a Comment

Bottom Ad [Post Page]