Full width home advertisement

বাছাই খবর

প্রযুক্তি পরামর্শ

অ্যাপস

Post Page Advertisement [Top]

একা থাকার সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে…

একা থাকার সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে…
‘একা থাকি’ বা ‘একা থাকতে চাই’ এধরণের কথা আজকাল প্রায়ই শোনা যায়। আর তখনই আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, পাড়া-প্রতিবেশির চোখ ওঠে কপালে! কেন? একা থাকায় তো দোষের কিছু নেই! জীবনে চলার পথে মনের মতো কাউকে খুঁজে না পেলে বা কখনও পরিস্থিতির দায়ে সারা জীবন অনেকে একাই কাটিয়ে দেন। আবার আমরা কখনও নিজের খুশিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে মনে করি একা থাকাই বুঝি ভালো। এমন ইচ্ছার পেছনে নিশ্চয়ই কোনো কারণ আছে।
জবাবদিহিতা যারা প্রচন্ডরকম ভাবে ব্যক্তিস্বাধীনতায় বিশ্বাসী বা অনেক বেশি স্বাধীনচেতা মনোভাবের হয়ে থাকেন তারা কারো কাছে জবাবদিহি করতে চান না বা পছন্দ করেন না। কেউ যদি একা থাকে তাহলে তার জবাবদিহিতা শুধুমাত্র তার নিজের কাছেই দিতে হবে। তার সব রকম সিদ্ধান্তের জন্য কেবল তিনি-ই দায়ী থাকবেন, হোক না সেই সিদ্ধান্ত ভুল বা সঠিক! সেই ব্যক্তির প্রত্যেকটা ভুল তাকে নতুন কিছু শেখাবে এবং তার প্রত্যেকটা অর্জনের ভাগিদারও কেবলমাত্র তিনি-ই হবেন।
নিজেকে আবিষ্কার করা নিজেকে আবিষ্কার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আর তা যদি হয় কারো সাথে সম্পর্কে জড়ানো নিয়ে তাহলে তো তার গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়! যে কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর আগে ব্যক্তির নিশ্চিত হওয়া দরকার যে নিজের জীবন থেকে তিনি কী চান! নিজেকে জানার জন্য নিজেকে সময় দেওয়া খুবই জরুরি।
ক্যারিয়ার গঠন যারা একা থাকতে চান তাদের কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় ক্যারিয়ার। অন্যভাবে বলতে গেলে যারা ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ চূড়া ছুঁতে চান তাদের অনেকেই একা থাকার সিদ্ধান্ত নেন। একা থাকতে চাইলে ক্যারিয়ারের প্রতি গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি থাকবে, যা সেই ব্যক্তিকে দেবে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং জীবনের সম্পূর্ণতা। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে, জীবনের সবটুকু জুড়ে যেন ক্যারিয়ারের আধিপত্য না থাকে। এটা কখনই কাম্য নয়।
নিজের সিদ্ধান্তকে প্রাধান্য একা থাকলে চিন্তা ও স্বপ্নের জগতের মর্জির মালিক হবেন শুধুই সেই ব্যক্তি। নিজের ইচ্ছার প্রাধান্যের ওপর তিনি যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তাকে অন্যের ইচ্ছার অধীন হয়ে কোনো কাজ করতে হবে না। তিনি থাকবেন পুরোপুরি নিজের মতো করে!

No comments:

Post a Comment

Bottom Ad [Post Page]