Full width home advertisement

বাছাই খবর

প্রযুক্তি পরামর্শ

অ্যাপস

Post Page Advertisement [Top]

বুদাপেস্ট সম্পর্কে অজানা ১০ তথ্য

বুদাপেস্ট সম্পর্কে অজানা ১০ তথ্য
হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্ট এই দেশটির অন্য যেকোন শহরের চাইতে বেশ জনবহুল। এই পুরো শহরটিতে রয়েছে নানান আকর্ষণীয় স্থান এবং বিষয় যা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। চলুন জেনে নেয়া যাক বুদাপেস্ট নিয়ে মজার কিছু বিষয়। 
১। রয়েছে বেশ কয়েকটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট- 
দ্যানুব, হিরোজ্‌ স্কয়ার, বুদা ক্যাসেলসহ বুদাপেস্ট শহরটিতে রয়েছে ইউনেস্কোর বেশ কয়েকটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ। এই শহরটিতে রয়েছে বেশ আকর্ষণীয় কয়েকটি জায়গা যা একে পৃথিবীর অসম্ভব সুন্দর কিছু জায়গাগুলোর মধ্যে একটি করে তুলেছে। 
২। বুদা এবং পেস্ট- 
বুদাপেস্ট নামটি বুদা এবং পেস্ট দুটো শহরকে একত্রিত করে এসেছে। ১৮৭৩ সালে এই দুটো শহরকে একটি শহরে রূপান্তরিত করা হয়। বুদা নামটি এর প্রতিষ্ঠাতা বুদা থেকে এসেছে যিনি ছিলেন হানক (হানরা ছিল মূলত মধ্য এশিয়া, ককেশাস এবং পূর্ব ইউরোপের যাযাবর জাতি) শাসক আত্তিলার ভাই। আর পেস্ট নামটি এসেছে ‘প্যাশন’ থেকে যা আসলে রোমান সময়কালীন একটি দুর্গ ছিল। 
৩। পৃথিবীর সবচাইতে বড় থার্মাল ওয়াটার কেভ- 
থার্মাল ওয়াটার কেভ! নাম শুনেই নিশ্চয়ই খুব আশ্চর্য কিছু মনে হচ্ছে তাই না? তাহলে চোখে দেখতে কতটা সুন্দর, অদ্ভুত বা আশ্চর্যজনক লাগতে পারে তা নিশ্চয়ই বলার অপেক্ষা রাখে না তাই না? আর তাই পৃথিবীর সবচাইতে বড় থার্মাল কেভটি দেখতে হলে যেতে হবে এই বুদাপেস্টে। 
৪। হট বাথ নিয়ে ভুলে যেতে পারেন অসুস্থতাকে- 
এটি হচ্ছে রীতিমতো বুদাপেস্টের এক ধরনের তাৎপর্য! আপনি যদি সেখানে টার্কিশ বাথ নিয়ে থাকেন, তাহলে সেখানকার মিনারেল যুক্ত প্রাকৃতিক ঝর্ণার পানিতে আপনার শরীরের হাড়, ত্বক ও পেশীর কোনো সমস্যা থাকলে তা অনেকটাই নিরাময় হয়ে যাবে। আর বুদাপেস্টে যাওয়া হলে, স্যাশেইনি মেডিকেল বাথে যাওয়াটা অনেকটা বাধ্যতামূলকের কাছাকাছি হিসেবে বিবেচনা করা দরকার। কারণ এটি হলো ইউরোপের সবচাইতে বড় মেডিসিনাল পাবলিক বাথ। 
৫। বুদাপেস্টের ভ্যাম্পায়ার- 
 
হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন আপনি! বুদাপেস্টে আপনার দেখা মিলতে পারে ভায়ম্পায়ারের! বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক রোমান পোলান্সকির সফল চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে একটি ‘দ্য ফিয়ারলেস ভ্যাম্পায়ার কিলারস্‌’কে ‘ভ্যাম্পায়ারস বল মিউজিক্যাল’ থিয়েটার এন্টাইটেনমেন্ট হিসেবে রূপান্তর করা হয়েছিল। সারা বিশ্বের প্রায় ৫ মিলিয়ন লোক ভ্যাম্প্যারস বল মিউজিক্যাল দেখেছিল। 
৬। পৃথিবীর সবচাইতে পুরাতন সাবওয়ে লাইন- 
আপনি জেনে অবাক হবেন যে, পৃথিবীর সবচাইতে পুরাতন সাবওয়ে লাইনগুলোও কিন্তু বুদাপেস্টেরই! হাঙ্গেরির ১০০০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের সময় ১৮৯৬ সালে এই লাইনগুলো চালু করা হয়েছিল। 
৭। ইউরোপের সবচাইতে বড় সিনাগগ- 
এছাড়াও বুদাপেস্টের আরেকটি চমকপ্রদ বিষয় হলো যে, সেখানে পুরো ইউরোপের সবচাইতে বড় সিনাগগ বা ইহুদি ধর্মীয় মতাবলম্বীদের ধর্মস্থান রয়েছে। সেখানকার দোহানি স্ট্রিট সিনাগগটিতে ২৯৬৪টি আসন ব্যবস্থা রয়েছে। 
৮। কল থেকে পানি পান করার একেবারে অভিনব উপায়! 
উষ্ণ থার্মাল ছাড়াও কল থেকে সরাসরি পানি পান করার বিষয়টি বুদাপেস্টের আরেকটি স্বাস্থ্যসম্মত বিকল্প। রাস্তার ধারে থাকা অগ্নি নির্বাপক পানির কল থেকে বুদাপেস্টের নাগরিকেরা পানি পান করতে পারেন অবলীলায়। একটি বিশেষ উপায়ে তারা এই ব্যবস্থাটি করেছেন গ্রীষ্মের সময়ে গরমের তাপদাহ থেকে নাগরিকদের রক্ষার সুবিধার্থে। 
৯। রুবিকস কিউব আবিষ্কার করেছেন কে? 
ছোটবেলার নানান জনপ্রিয় খেলনার মধ্যে রুবিকস কিউব একটি। কিউবগুলো একসাথে মেলাতে পারলেই যেন আনন্দের বাঁধ ভাঙতো সবার। কে এই রুবিকস কিউবের আবিষ্কারক এবং কোথায় তার বসবাস ছিল জানেন? এর আবিষ্কারক রুবিকের নামেই আবিষ্কার করা হয়েছিল এই খেলনাটি। আর তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন এই বুদাপেস্টেই! 
১০। পৃথিবীর সবচাইতে পুরাতন চিড়িয়াখানাগুলোর মধ্যে একটি রয়েছে বুদাপেস্টে- 
পৃথিবীতে সবচাইতে পুরাতন যতগুলো চিড়িয়াখানা রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে বুদাপেস্টের চিড়িয়াখানা একটি। এই চিড়িয়াখানাটি চালু করা হয়েছিল ১৮৬৫ সালে। এখানে নানান ধরনের পশু পাখি তো আছেই! এর সাথে আরও আছে কয়েকটি কলা ভবন এবং দালান যেমন- এলিফ্যান্ট হাউজ, দ্য পাম্‌ ইত্যাদি। 
তথ্যসূত্র : ওহফ্যাক্ট 

No comments:

Post a Comment

Bottom Ad [Post Page]